vivo iQOO 15 Ultra BD
৳ 70,999
9 in stock
9 in stock
Description
৳.70999 (Unofficial) (256GB 16GB RAM)
vivo iQOO 15 Ultra 
Phone রিলিজ তারিখ : 2026, February 04
Updated on: Februay 13, 2026
Brand: Vivo
vivo iQOO 15 Ultra Full phone specifications/Price in Bangladesh
| Display | Type | AMOLED, 1B colors, 144Hz, PWM, Dolby Vision, HDR10+, HDR Vivid, 1000 nits (typ), 2600 nits (HBM), 8000 nits (peak) |
|---|---|---|
| Size | 6.85 inches, 114.0 cm2 (~90.7% screen-to-body ratio) | |
| Resolution | 1440 x 3168 pixels (~508 ppi density) |
| Platform | OS | Android 16, up to 5 major Android upgrades, OriginOS 6 |
|---|---|---|
| Chipset | Qualcomm SM8850-AC Snapdragon 8 Elite Gen 5 (3 nm) | |
| CPU | Octa-core (2×4.6 GHz Oryon V3 Phoenix L + 6×3.62 GHz Oryon V3 Phoenix M) | |
| GPU | Adreno 840 |
| Memory | Card slot | No |
|---|---|---|
| Internal | 256GB 16GB RAM, 512GB 16GB RAM, 1TB 16GB RAM, 1TB 24GB RAM | |
| UFS 4.1 |
| Main Camera | Triple | 50 MP, f/1.9, 23mm (wide), 1/1.56″, 1.0µm, PDAF, OIS
50 MP, f/2.7, 85mm (periscope telephoto), 1/1.95″, 0.8µm, PDAF, OIS, 3x optical zoom 50 MP, f/2.1, 15mm, 107˚ (ultrawide), 1/2.76″, 0.64µm, AF |
|---|---|---|
| Features | LED flash, HDR, panorama | |
| Video | 8K@30fps, 4K@24/30/60fps, 1080p@30/60/120/240fps, gyro-EIS |
| Selfie camera | Single | 32 MP, f/2.2, 21mm (wide), 1/3.1″, 0.7µm |
|---|---|---|
| Features | HDR | |
| Video | 4K@30/60fps, 1080p@30/60fps |
| Features | Sensors | Fingerprint (under display, ultrasonic), accelerometer, gyro, proximity, compass |
|---|
| Battery | Type | Si/C Li-Ion 7400 mAh |
|---|---|---|
| Charging | 100W wired, PPS, PD
40W wireless Bypass charging |
Products Images
News
- Regarding the display refresh rate, I’m seeing conflicting rumors. Some early leaks mentioned a 165Hz panel was being tested, but newer reports suggest the iQOO 15 Ultra features a 6.85-inch 2K LTPO AMOLED with 144Hz instead. It’s pretty confusing do…
vivo iQOO 15 Ultra Price in Bangladesh 2026 & Release Date
| Name | vivo iQOO 15 Ultra |
| Unofficial Price | BDT.70999 |
| Release Date | 2026, February 04 |
| Market Status | In Stock |
| Variant | 256GB 16GB RAM, 512GB 16GB RAM, 1TB 16GB RAM, 1TB 24GB RAM |
vivo iQOO 15 Ultra: পারফরম্যান্সের এক নতুন মাত্রা (বাংলাদেশে আসার সম্ভাবনা)Vivo আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৫ সালের ১৭ই ডিসেম্বর BD মডেলটি লঞ্চ করেছে। এটিকে তাদের ফ্ল্যাগশিপ মডেলের চেয়ে কম দামের, কিন্তু পারফরম্যান্স-নির্ভর (performance-driven) একটি বিকল্প হিসেবে বাজারে আনা হয়েছে। খবর রটেছে, এই ফোনটি শীঘ্রই বাংলাদেশের বাজারেও আসতে পারে, যা নিঃসন্দেহে দেশের প্রযুক্তিপ্রেমীদের জন্য একটি দারুণ খবর। ফোনটির মূল আকর্ষণ হলো এতে ব্যবহৃত হয়েছে নতুন Qualcomm SM8850-AC Snapdragon 8 Elite Gen 5 (3 nm) চিপ, যা 256GB 16GB RAM, 512GB 16GB RAM, 1TB 16GB RAM, 1TB 24GB RAM LPDDR5x Ultra RAM এর সাথে ফ্ল্যাগশিপ-স্তরের কর্মক্ষমতা নিশ্চিত করবে। পারফরম্যান্স: হার্ডওয়্যারের শ্রেষ্ঠত্ব vivo iQOO 15 Ultra স্মার্টফোনটির প্রাণকেন্দ্রে রয়েছে কোয়ালকমের সর্বশেষ প্রযুক্তির Qualcomm SM8850-AC Snapdragon 8 Elite Gen 5 (3 nm)মোবাইল প্ল্যাটফর্ম (3nm)। এটি শুধু একটি চিপসেট নয়, এটি এমন একটি শক্তি যা স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে সম্পূর্ণ নতুন স্তরে নিয়ে যায়। ৩ ন্যানোমিটার (3nm) আর্কিটেকচারে তৈরি হওয়ায় এটি পূর্ববর্তী প্রজন্মের চিপগুলোর তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি শক্তি সাশ্রয়ী এবং দ্রুতগতির। কোয়ালকমের Qualcomm Oryon™ CPU তে থাকা অক্টা-কোর প্রসেসরটি ৩.৮ গিগাহার্টজ (3.8 GHz) পর্যন্ত গতিতে কাজ করে, যা অত্যন্ত দ্রুত অ্যাপ লোডিং, মসৃণ মাল্টিটাস্কিং এবং কঠিনতম গেমিং সেশনের জন্য চমৎকার।এছাড়াও, নতুন Qualcomm Adreno™ GPU 8-series গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিটটি ১২২৫ মেগাহার্টজ (1225 MHz) গতিতে চলে, যা হাই-এন্ড গেমিংয়ের সময় গ্রাফিক্সকে দেয় অসাধারণ বাস্তবতা ও ল্যাগ-মুক্ত অভিজ্ঞতা। ফোনটির পারফরম্যান্স বেঞ্চমার্ক স্কোরও অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক। AnTuTu v10 এ এটির স্কোর প্রায় 20 lac কাছাকাছি, এবং Geekbench 6 এর সিঙ্গেল-কোর স্কোর ২৮০০+ ও মাল্টি-কোর স্কোর ৯৩০০+ এর উপরে, যা এটিকে বাজারের অন্যতম দ্রুততম স্মার্টফোনগুলোর কাতারে স্থান দিয়েছে। এই পারফরম্যান্সের সাথে যুক্ত হয়েছে ১২ জিবি LPDDR5x Ultra RAM এবং 256GB 16GB RAM, 512GB 16GB RAM, 1TB 16GB RAM, 1TB 24GB RAM UFS 4.1 স্টোরেজ, যা ডেটা ট্রান্সফার এবং অ্যাপ খোলার গতিকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে তোলে। এই সমন্বয়টি নিশ্চিত করে যে, ব্যবহারকারী কোনো ধরনের গতি বা পারফরম্যান্সের ঘাটতি অনুভব করবেন না, এমনকি সবচেয়ে বেশি রিসোর্স-ডিমান্ডিং টাস্কগুলিতেও। ️ ডিসপ্লে: চোখের আরাম ও গতির এক ঝলকভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতাকে অন্য মাত্রায় নিয়ে যেতে vivo iQOO 15 Ultra এ ব্যবহার করা হয়েছে ৬.৮৩ ইঞ্চি (17.35 cm) আকারের একটি বিশাল AMOLED, 1B colors, 144Hz, PWM, Dolby Vision, HDR10+, HDR Vivid, 1000 nits (typ), 2600 nits (HBM), 8000 nits (peak) ডিসপ্লে। এই ডিসপ্লের রেজোলিউশন হলো 1272×2800 পিক্সেল (1.5K), যা FHD+ এর চেয়েও উন্নত, এবং প্রতি ইঞ্চিতে প্রায় ৪৫০ পিক্সেল (450 ppi) ঘনত্ব নিশ্চিত করে। এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর ১৬৫ হার্টজ (165Hz) অ্যাডাপ্টিভ রিফ্রেশ রেট, যা স্ক্রলিং, অ্যানিমেশন এবং গেমিংয়ের সময় অবিশ্বাস্য মসৃণতা প্রদান করে। বিশেষত গেমিংয়ের জন্য, ফোনটিতে একটি ডেডিকেটেড 3200Hz ইনস্ট্যান্ট টাচ রেসপন্স চিপ রয়েছে, যা দ্রুততম টাচ ইনপুট নিশ্চিত করে।ডিসপ্লেটি HDR10+ এবং HDR Vivid সমর্থন করে, সাথে এর সর্বোচ্চ উজ্জ্বলতা 1800 nিটস (HBM), যা কড়া রোদেও স্ক্রিনকে স্পষ্টভাবে দেখার সুবিধা দেয়। এছাড়াও, এটি চোখের সুরক্ষার জন্য TÜV Rheinland Intelligent Eye Care 5.0 সার্টিফিকেশন প্রাপ্ত, যা দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারের পরেও চোখের উপর চাপ কমাতে সাহায্য করে। ডিসপ্লে সুরক্ষার জন্য এতে Corning Gorilla Glass 7i ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যাটারি: পাওয়ার হাউজ এবং দ্রুত চার্জিং vivo iQOO 15 Ultra এর অন্যতম আকর্ষণীয় দিক হলো এর শক্তিশালী ব্যাটারি। ফোনটিতে রয়েছে বিশাল Si/C Li-Ion 7400 mAh 100W wired, PPS, PD ক্যাপাসিটির ব্যাটারি, যা এখন পর্যন্ত Vivo এর তৈরি স্মার্টফোনগুলোর মধ্যে বৃহত্তম। এই বড় ব্যাটারির ফলে হেভি ইউজেও ফোনটি একদিনের বেশি স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবহার করা যাবে। এছাড়াও, ব্যাটারির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে ৪ বছর ব্যবহারের পরেও ৮০% চার্জ ধারণ ক্ষমতা ধরে রাখার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।ব্যাটারি দ্রুত চার্জ করার জন্য ফোনটি 100W wired, PPS, PD ফাস্ট চার্জিং সমর্থন করে, যা মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যে ব্যাটারির চার্জ ১% থেকে ৫০% পর্যন্ত পৌঁছে দিতে সক্ষম। এটি ব্যবহারকারীদের চার্জিং নিয়ে দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেয় এবং তাদের প্রয়োজন অনুসারে দ্রুত ডিভাইসকে প্রস্তুত করে তোলে। ক্যামেরা: দুর্দান্ত ফটোগ্রাফি অভিজ্ঞতা vivo iQOO 15 Ultra এর ক্যামেরাতেও ফ্ল্যাগশিপ-গ্রেড হার্ডওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে। এর পিছনে রয়েছে ডুয়াল ক্যামেরা সেটআপ:৫০ মেগাপিক্সেলের (50MP) প্রধান সেন্সর: এটি একটি Sony IMX906 সেন্সর, যার অ্যাপারচার $f/1.8$ এবং OIS (Optical Image Stabilization) সমর্থন করে। এটি প্রতিটি ছবিতে অসাধারণ ডিটেইলস, সঠিক রঙ এবং চমৎকার ডাইনামিক রেঞ্জ নিশ্চিত করে।৮ মেগাপিক্সেলের (8MP) আল্ট্রা-ওয়াইড সেন্সর: এটি $f/2.2$ অ্যাপারচার এবং ১১২° ফিল্ড অফ ভিউ (FOV) সহ আসে, যা ল্যান্ডস্কেপ এবং গ্রুপ ছবি তোলার জন্য আদর্শ।সামনের দিকে, সেলফি এবং ভিডিও কলের জন্য রয়েছে ৩২ মেগাপিক্সেলের (32MP) একটি শক্তিশালী ক্যামেরা, যা $f/2.0$ অ্যাপারচার এবং অটোফোকাস সমর্থন করে। ভিডিও রেকর্ডিংয়ের ক্ষেত্রে, এটি 4K রেজোলিউশনে 120 ফ্রেম প্রতি সেকেন্ড (fps) এ ভিডিও রেকর্ড করতে পারে, যা হাই-এন্ড ডিভাইসগুলোর একটি বৈশিষ্ট্য। এছাড়াও, EIS/OIS সাপোর্টের মাধ্যমে ভিডিওর স্ট্যাবিলিটি বজায় রাখা হয়। কানেক্টিভিটি, সফটওয়্যার এবং ডিজাইন এ দ্রুততম সংযোগের জন্য Wi-Fi 7 (802.11be) এবং Bluetooth 6.0 এর মতো সর্বশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। ফোনটি 5G NR সমর্থন করে এবং ডুয়াল ন্যানো-সিম স্লট রয়েছে। এতে জিপিএস, এনএফসি এবং একটি ইনফ্রারেড রিমোট কন্ট্রোল সেন্সরও রয়েছে।সফটওয়্যারের দিক থেকে, ফোনটি Android™ 16 অপারেটিং সিস্টেমের উপর ভিত্তি করে তৈরি OxygenOS 16.0 দ্বারা চালিত। vivo iQOO 15 Ultra এর নিজস্ব এই ওএস ব্যবহারকারীদের একটি ক্লিন, দ্রুত, এবং সহজ ইন্টারফেসের অভিজ্ঞতা দেয়। এছাড়াও, এই মডেলে রয়েছে IP69/IP69K রেটিং, যা এটিকে ধুলো এবং উচ্চ-চাপের জল জেট থেকে রক্ষা করতে সক্ষম বাংলাদেশে আসার সম্ভাবনা ও মূল্যযদিও Vivo আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে vivo iQOO 15 Ultra লঞ্চের তারিখ ঘোষণা করেনি, ভারতে এর লঞ্চিং এবং সেখানকার প্রিমিয়াম মিড-রেঞ্জ সেগমেন্টে এটিকে অবস্থান করার ফলে বাংলাদেশে এটি আসার একটি জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। ভারতে এর 256GB 16GB RAM, 512GB 16GB RAM, 1TB 16GB RAM, 1TB 24GB RAM স্টোরেজ ভেরিয়েন্টটির মূল্য প্রায় 70999 থেকে শুরু হয়েছে। এই মূল্যের ভিত্তিতে, যদি এটি বাংলাদেশে আসে, তবে অনানুষ্ঠানিক (unofficial) বাজারে এর আনুমানিক মূল্য 70999 এর মধ্যে থাকতে পারে, যা Vivo এর পারফরম্যান্স-নির্ভর ফোনগুলোর দামের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। অন্যদিকে, যদি এটি আনুষ্ঠানিকভাবে (official) লঞ্চ হয়, তবে ট্যাক্স এবং ভ্যাটের কারণে মূল্য আরও কিছুটা বেশি হতে পারে, যা প্রায় এর কাছাকাছি হতে পারে।সার্বিক বিবেচনায়, একটি সত্যিকারের “পারফরম্যান্স বিস্ট” (Performance Beast) হিসাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছে। শক্তিশালী চিপসেট, বিশাল ব্যাটারি, অতি-দ্রুত ডিসপ্লে এবং ফ্ল্যাগশিপ-গ্রেড ক্যামেরা ফিচারের সমন্বয়ে, এই ফোনটি ব্যবহারকারীদের একটি উচ্চ-মানের অভিজ্ঞতা দিতে প্রস্তুত। বাংলাদেশের বাজারে এটি প্রবেশ করলে, প্রিমিয়াম স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য এটি নিঃসন্দেহে একটি দুর্দান্ত বিকল্প হবে।
More Spec:
Buyer Comments::
/product/Motorola-Moto-G17














Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.